আমার বন্ধুরা যা দেখতে পায় আমাকে তা দেখতে দাও
- প্যাট্রিসিয়া সঙ্কসেন, ব্লানচ্ স্টিফ
-----------------------------
‘আমার বন্ধুরা যা দেখতে পায় আমাকে তা দেখতে দাও’ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুদের জীবন, শিক্ষা ও পরিচর্যা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ বই। বইটির মূল বক্তব্য অত্যন্ত মানবিক—দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুকে করুণা বা অতিরিক্ত সুরক্ষার মধ্যে আটকে না রেখে তার স্বাভাবিক বিকাশ, আত্মনির্ভরতা ও সামাজিক অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে।
বইটির শিরোনামেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুর গভীর আকাঙ্ক্ষাটি প্রকাশিত—সে অন্য শিশুদের মতোই পৃথিবীকে জানতে, শিখতে, খেলতে এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে যেতে চায়। দৃষ্টিশক্তির সীমাবদ্ধতা তার ব্যক্তিত্বের সম্পূর্ণ পরিচয় নয়। তাই শিশুটিকে ‘অক্ষম’ হিসেবে না দেখে তার অন্য ইন্দ্রিয়, বুদ্ধি, কৌতূহল ও সৃজনশীলতার বিকাশে সহায়তা করাই পরিচর্যার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
বইটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পরিবারের ভূমিকা। অনেক সময় অভিভাবক ভালোবাসা ও নিরাপত্তার চিন্তা থেকে শিশুকে অতিরিক্ত আগলে রাখেন। কিন্তু এতে তার নিজের কাজ শেখা, সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং আত্মবিশ্বাস অর্জনের সুযোগ কমে যায়। বইটি সেই জায়গায় সচেতন করে—প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে, কিন্তু শিশুর হয়ে সব কাজ করে দেওয়া যাবে না।
শিক্ষার ক্ষেত্রেও বইটির বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুর জন্য উপযুক্ত শিক্ষাসামগ্রী, স্পর্শনির্ভর শিক্ষা, ব্রেইল, শ্রবণভিত্তিক উপকরণ এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সহায়তা তার শিক্ষাজীবনকে অনেক বেশি কার্যকর করতে পারে। একই সঙ্গে সুস্থ দৃষ্টিসম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে তার মেলামেশা ও খেলাধুলার সুযোগ থাকা প্রয়োজন।
বইটির সবচেয়ে বড় সার্থকতা হলো, এটি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুকে করুণার পাত্র না বানিয়ে সমান অধিকারসম্পন্ন একজন মানুষ হিসেবে দেখতে শেখায়। পরিবার, শিক্ষক ও সমাজ যদি সঠিক পরিবেশ তৈরি করতে পারে, তাহলে দৃষ্টির সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও একটি শিশু আত্মবিশ্বাসী ও স্বনির্ভর জীবন গড়ে তুলতে পারে।
সব মিলিয়ে ‘আমার বন্ধুরা যা দেখতে পায় আমাকে তা দেখতে দাও’ শুধু দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুদের পরিচর্যার বই নয়; এটি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের বই। শিশুকে তার সীমাবদ্ধতা দিয়ে নয়, তার সম্ভাবনা দিয়ে দেখার শিক্ষা—এই বইটির সবচেয়ে মূল্যবান বার্তা।
বইটির শিরোনামেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুর গভীর আকাঙ্ক্ষাটি প্রকাশিত—সে অন্য শিশুদের মতোই পৃথিবীকে জানতে, শিখতে, খেলতে এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে যেতে চায়। দৃষ্টিশক্তির সীমাবদ্ধতা তার ব্যক্তিত্বের সম্পূর্ণ পরিচয় নয়। তাই শিশুটিকে ‘অক্ষম’ হিসেবে না দেখে তার অন্য ইন্দ্রিয়, বুদ্ধি, কৌতূহল ও সৃজনশীলতার বিকাশে সহায়তা করাই পরিচর্যার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
বইটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পরিবারের ভূমিকা। অনেক সময় অভিভাবক ভালোবাসা ও নিরাপত্তার চিন্তা থেকে শিশুকে অতিরিক্ত আগলে রাখেন। কিন্তু এতে তার নিজের কাজ শেখা, সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং আত্মবিশ্বাস অর্জনের সুযোগ কমে যায়। বইটি সেই জায়গায় সচেতন করে—প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে, কিন্তু শিশুর হয়ে সব কাজ করে দেওয়া যাবে না।
শিক্ষার ক্ষেত্রেও বইটির বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুর জন্য উপযুক্ত শিক্ষাসামগ্রী, স্পর্শনির্ভর শিক্ষা, ব্রেইল, শ্রবণভিত্তিক উপকরণ এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সহায়তা তার শিক্ষাজীবনকে অনেক বেশি কার্যকর করতে পারে। একই সঙ্গে সুস্থ দৃষ্টিসম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে তার মেলামেশা ও খেলাধুলার সুযোগ থাকা প্রয়োজন।
বইটির সবচেয়ে বড় সার্থকতা হলো, এটি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুকে করুণার পাত্র না বানিয়ে সমান অধিকারসম্পন্ন একজন মানুষ হিসেবে দেখতে শেখায়। পরিবার, শিক্ষক ও সমাজ যদি সঠিক পরিবেশ তৈরি করতে পারে, তাহলে দৃষ্টির সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও একটি শিশু আত্মবিশ্বাসী ও স্বনির্ভর জীবন গড়ে তুলতে পারে।
সব মিলিয়ে ‘আমার বন্ধুরা যা দেখতে পায় আমাকে তা দেখতে দাও’ শুধু দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুদের পরিচর্যার বই নয়; এটি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের বই। শিশুকে তার সীমাবদ্ধতা দিয়ে নয়, তার সম্ভাবনা দিয়ে দেখার শিক্ষা—এই বইটির সবচেয়ে মূল্যবান বার্তা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
প্রাসঙ্গিক মতামত করুন। অবাঞ্চিত মন্তব্যের যাবতীয় দায় মন্তব্যকারীর। অন্য কেউ নয়।