জার্মানীর জর্নাল
সৈয়দ আবুল মকসুদ
================
সৈয়দ আবুল মকসুদের ‘জার্মানীর জর্নাল’ বাংলা ভ্রমণসাহিত্যে একটি ব্যতিক্রমী গ্রন্থ। এটি কেবল জার্মানি ভ্রমণের দিনলিপি নয়; বরং জার্মানির শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, ইতিহাস, রাজনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে একজন অনুসন্ধিৎসু বাঙালি লেখকের প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ। গ্রন্থটির প্রথম প্রকাশ ১৯৮৭ সালে, মুক্তধারা থেকে; তবে এর মূল দিনলিপির সূত্রপাত আরও আগে। লেখক ১৯৭৯ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৮১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে বইটি গড়ে তোলেন।
মকসুদের আগ্রহ ছিল জার্মানিকে পর্যটকের চোখে দেখা নয়, জার্মান জাতির চিন্তা ও সংস্কৃতির স্বরূপ বোঝা। তাই গ্যেটের নগরী, জার্মান লেখক-প্রকাশক-পাঠক, জার্মান দার্শনিক, বিটোফেন, গ্যুন্টার গ্রাস, ক্লাইস্টের কবর— এসব প্রসঙ্গের পাশাপাশি হিটলারের হত্যাযজ্ঞ ও নব্য নাৎসিবাদের মতো অন্ধকার ইতিহাসও আলোচনায় এসেছে।
বইটির বিশেষত্ব হলো ভ্রমণ ও মননের মেলবন্ধন। লেখক কোনো শহর বা স্থাপনা দেখেই থেমে যান না; তার সঙ্গে যুক্ত ইতিহাস, সাহিত্য ও দর্শনের সূত্র ধরে বৃহত্তর ইউরোপীয় সভ্যতাকে বোঝার চেষ্টা করেন। ফলে পাঠক একই সঙ্গে জার্মানির ভূগোল, সংস্কৃতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হন।
সৈয়দ আবুল মকসুদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থও ছিল এই ‘জার্মানীর জর্নাল’; পরবর্তীকালে তিনি গবেষণা, জীবনী, প্রবন্ধ ও ভ্রমণসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
সব মিলিয়ে ‘জার্মানীর জর্নাল’ ভ্রমণকে জ্ঞান ও সংস্কৃতি অনুসন্ধানের মাধ্যম করে তোলা একটি সুখপাঠ্য গ্রন্থ। যারা দেশ দেখার পাশাপাশি একটি দেশের ইতিহাস, মনন ও সংস্কৃতিকে বুঝতে চান, তাঁদের জন্য বইটি বিশেষভাবে আকর্ষণীয়।
মকসুদের আগ্রহ ছিল জার্মানিকে পর্যটকের চোখে দেখা নয়, জার্মান জাতির চিন্তা ও সংস্কৃতির স্বরূপ বোঝা। তাই গ্যেটের নগরী, জার্মান লেখক-প্রকাশক-পাঠক, জার্মান দার্শনিক, বিটোফেন, গ্যুন্টার গ্রাস, ক্লাইস্টের কবর— এসব প্রসঙ্গের পাশাপাশি হিটলারের হত্যাযজ্ঞ ও নব্য নাৎসিবাদের মতো অন্ধকার ইতিহাসও আলোচনায় এসেছে।
বইটির বিশেষত্ব হলো ভ্রমণ ও মননের মেলবন্ধন। লেখক কোনো শহর বা স্থাপনা দেখেই থেমে যান না; তার সঙ্গে যুক্ত ইতিহাস, সাহিত্য ও দর্শনের সূত্র ধরে বৃহত্তর ইউরোপীয় সভ্যতাকে বোঝার চেষ্টা করেন। ফলে পাঠক একই সঙ্গে জার্মানির ভূগোল, সংস্কৃতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হন।
সৈয়দ আবুল মকসুদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থও ছিল এই ‘জার্মানীর জর্নাল’; পরবর্তীকালে তিনি গবেষণা, জীবনী, প্রবন্ধ ও ভ্রমণসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
সব মিলিয়ে ‘জার্মানীর জর্নাল’ ভ্রমণকে জ্ঞান ও সংস্কৃতি অনুসন্ধানের মাধ্যম করে তোলা একটি সুখপাঠ্য গ্রন্থ। যারা দেশ দেখার পাশাপাশি একটি দেশের ইতিহাস, মনন ও সংস্কৃতিকে বুঝতে চান, তাঁদের জন্য বইটি বিশেষভাবে আকর্ষণীয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
প্রাসঙ্গিক মতামত করুন। অবাঞ্চিত মন্তব্যের যাবতীয় দায় মন্তব্যকারীর। অন্য কেউ নয়।