গণচীনে চব্বিশ দিন
আবদুল আহাদ
-------------------------
বাংলা ভ্রমণসাহিত্যে এমন কিছু বই আছে, যেখানে ভ্রমণ শুধু দেশ দেখার অভিজ্ঞতা নয়; একটি ভিন্ন সমাজ, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সংস্কৃতিকে কাছ থেকে বোঝার মাধ্যম। আবদুল আহাদের ‘গণচীনে চব্বিশ দিন’ তেমনই একটি ভ্রমণবৃত্তান্ত। বইটিতে লেখকের চীন সফরের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তৎকালীন গণচীনের সমাজ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রার নানা দিক উঠে এসেছে।
চীনে কমিউনিস্ট বিপ্লবের পর দেশটি দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। ১৯৪৯ সালে মাও সে তুং-এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা সমাজ ও অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেয়। সেই পরিবর্তনের সময়ের চীনকে একজন বাঙালি পর্যটকের চোখে দেখার সুযোগই এই বইটির বিশেষ আকর্ষণ।
আবদুল আহাদ শুধু বিখ্যাত স্থান বা নগরীর বিবরণ দেননি; সাধারণ মানুষের জীবন, কর্মপরিবেশ, শিক্ষা, কৃষি, শিল্প, সামাজিক শৃঙ্খলা এবং নতুন রাষ্ট্রের আদর্শ বাস্তব জীবনে কীভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে, সেদিকেও নজর দিয়েছেন। ফলে বইটি একই সঙ্গে ভ্রমণকাহিনি ও সমকালীন চীনের একটি প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণমূলক দলিল।
লেখকের দৃষ্টিভঙ্গিতে যেমন কৌতূহল আছে, তেমনি আছে তুলনামূলক বিচার। বাংলাদেশের তৎকালীন সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে চীনের অভিজ্ঞতাকে মিলিয়ে দেখার প্রবণতা বইটিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। বিশেষ করে বিংশ শতকের মাঝামাঝি এশিয়ার দুই ভিন্ন সমাজকে বোঝার ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রত্যক্ষ বিবরণের ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে।
সব মিলিয়ে ‘গণচীনে চব্বিশ দিন’ শুধু একটি বিদেশভ্রমণের স্মৃতি নয়; এটি একটি পরিবর্তনশীল রাষ্ট্র ও সমাজকে কাছ থেকে দেখার দলিল। চীনের ইতিহাস, সমাজব্যবস্থা এবং ভ্রমণসাহিত্যে আগ্রহী পাঠকের কাছে বইটি তাই বেশ উপভোগ্য ও তথ্যবহুল।
চীনে কমিউনিস্ট বিপ্লবের পর দেশটি দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। ১৯৪৯ সালে মাও সে তুং-এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা সমাজ ও অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেয়। সেই পরিবর্তনের সময়ের চীনকে একজন বাঙালি পর্যটকের চোখে দেখার সুযোগই এই বইটির বিশেষ আকর্ষণ।
আবদুল আহাদ শুধু বিখ্যাত স্থান বা নগরীর বিবরণ দেননি; সাধারণ মানুষের জীবন, কর্মপরিবেশ, শিক্ষা, কৃষি, শিল্প, সামাজিক শৃঙ্খলা এবং নতুন রাষ্ট্রের আদর্শ বাস্তব জীবনে কীভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে, সেদিকেও নজর দিয়েছেন। ফলে বইটি একই সঙ্গে ভ্রমণকাহিনি ও সমকালীন চীনের একটি প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণমূলক দলিল।
লেখকের দৃষ্টিভঙ্গিতে যেমন কৌতূহল আছে, তেমনি আছে তুলনামূলক বিচার। বাংলাদেশের তৎকালীন সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে চীনের অভিজ্ঞতাকে মিলিয়ে দেখার প্রবণতা বইটিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। বিশেষ করে বিংশ শতকের মাঝামাঝি এশিয়ার দুই ভিন্ন সমাজকে বোঝার ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রত্যক্ষ বিবরণের ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে।
সব মিলিয়ে ‘গণচীনে চব্বিশ দিন’ শুধু একটি বিদেশভ্রমণের স্মৃতি নয়; এটি একটি পরিবর্তনশীল রাষ্ট্র ও সমাজকে কাছ থেকে দেখার দলিল। চীনের ইতিহাস, সমাজব্যবস্থা এবং ভ্রমণসাহিত্যে আগ্রহী পাঠকের কাছে বইটি তাই বেশ উপভোগ্য ও তথ্যবহুল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
প্রাসঙ্গিক মতামত করুন। অবাঞ্চিত মন্তব্যের যাবতীয় দায় মন্তব্যকারীর। অন্য কেউ নয়।